শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের ৮৯ তম বার্ষিক তিরোভাব তিথি 🙏
০৮ ডিসেম্বর সোমবার, ২০২৫
নমঃ ওঁ বিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে।
শ্রীমতে ভক্তিসিদ্ধান্তসরস্বতীতি-নামিনে।।
শ্রীবার্যভানবীদেবীদয়িতায় কৃপাজয়ে।
কৃষ্ণসম্বদ্ধবিজ্ঞানদায়িনে প্ৰভবে নমঃ।।
মাধুর্য্যোজ্জ্বলপ্রেমাঢ্য শ্রীরূপানুগভক্তিদ।
শ্রীগৌর করুণাশক্তিবিগ্রহায় নমোস্তুতে।।
নমস্তে গৌরবাণী-শ্রীমূর্তয়ে দীনতারিণে।
রূপানুগবিরুদ্ধাপসিদ্ধান্তদ্ধান্ত হারিণে।।
শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের সঙ্গে যাঁদের নিত্য সম্বন্ধ ছিল তাঁরা তাঁর অপ্রাকৃত ভজনশীল জীবনের কথা বলতে পারেন। জাগতিক কর্মবীর কিংবা ধর্মবীরের মত তাঁর জীবন গঠিত হয় নাই। শিশুকাল থেকে শুদ্ধ ভাগবত সঙ্গে ভাগবত জীবন গঠিত হয়েছিল। জাগতিক চমৎকারিতায় জগতের লোক মুগ্ধ হয়। কিন্তু শ্রীল সরস্বতী ঠাকুর জীবনে এরূপ কোন জড় বিভূতি দেখানোর পক্ষপাতী ছিলেন না। তিনি বরং ঐ প্রকার জড় বিভূতিকে বড় ঘৃণা করতেন। সর্ব্ব বিভূতিময় ভগবান যাঁদের বশীভূত হন, তাঁদের কোন বিভূতি লাভ করতে কি আর বাকী থাকে? “সর্বসিদ্ধি করতলে তাঁর।
শ্রীমদ্ভক্তিবিনোদ ঠাকুর মহাশয় ডেপুটী ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ করবার সময় যখন শ্রীশ্রীজগন্নাথ পুরীধামে শ্রীমন্দির—সন্নিকটে নারায়ণ ছাতা নামক ভবনে বাস করছিলেন, তাঁর গৃহে শ্রীমদ্ভক্তিক সিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর ১৮৭৪ খৃষ্টাব্দের (১২৮০ বঙ্গাব্দের) ৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার মাঘী কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথিতে আবির্ভূত হন। এই মহাপুরুষের জননীর নাম ছিল শ্রীমতী ভগবতী দেবী।শ্রীমদ্ভক্তিবিনোদ ঠাকুর শ্রীবিমলা দেবীর প্রসাদ দ্বারা শিশুর অন্নপ্রাশন করিয়ে নামকরণ করলেন “বিমলা প্রসাদ”।
শ্রীশ্রীসরস্বতী ঠাকুরের আবির্ভাবের ছয় মাস পরে রথযাত্রা হয়। এই রথ যাত্রার সময় তিন দিন শ্রীজগন্নাথের রথ বড় দাঁড়ের উপর সরস্বতী ঠাকুরের জন্ম গৃহের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিন জননী ভগবতী দেবী শিশুকে নিয়ে রথোপরি আরোহণ করলেন এবং তাকে শ্রীজগন্নাথের শ্রীপাদপদ্মমূলে ছেড়ে দিলেন। শ্রীজগ




